বিস্তারিত তথ্য
১ জন অসহায় শিক্ষার্থীর ভরন-পোষন (১২ মাস)
একটি শিশুর কুরআনের আলোয় পথচলা হোক আপনার জান্নাতের উসিলা
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম, যে নিজে কুরআন শিখে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।" (সহীহ বুখারী)
একটু ভাবুন তো, অর্থাভাবে নিভে যেতে বসা একটি প্রদীপ যদি আপনার সামান্য সহযোগিতায় কুরআনের হাফেজ হিসেবে জ্বলে ওঠে, তবে তার প্রতিটি অক্ষরের তিলাওয়াতের সওয়াব কি আপনার আমলনামায় যোগ হবে না?
প্রজেক্টের উদ্দেশ্য: একজন হাফেজ/আলেমের অভিভাবকত্ব
আমাদের চারপাশে এমন অনেক মেধাবী ও ধর্মপ্রাণ শিশু রয়েছে, যাদের অন্তরে আল্লাহর কালাম ধারণ করার তীব্র আকাঙ্ক্ষা আছে। কিন্তু দারিদ্র্যের কষাঘাতে তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়া তো দূরের কথা, দুবেলা অন্নসংস্থান করাই কঠিন হয়ে পড়ে।
আমরা এই প্রজেক্টের মাধ্যমে সেই সকল সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীর ১২ মাসের (এক বছর) সম্পূর্ণ ভরণ-পোষণ ও শিক্ষার দায়িত্ব নিচ্ছি।
কেন আপনি এই প্রজেক্টে যুক্ত হবেন?
১. সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষার্থী যতদিন কুরআন ও হাদিস পড়বে, তিলাওয়াত করবে এবং আমল করবে- তার একটি সাওয়াবের অংশ আপনি সারা জীবন পেতে থাকবেন এমনকি কবরে থাকা অবস্থায়ও আপনার কাছে পৌঁছাতে থাকবে।
২. স্বচ্ছতা ও আমানত: আমরা জানি, আপনার উপার্জিত প্রতিটি টাকা কত কষ্টের। তাই আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি সরাসরি দেখতে পাবেন আপনার দান কীভাবে ব্যয় হচ্ছে। আমরা প্রযুক্তির মাধ্যমে শতভাগ স্বচ্ছতা (Transparency) নিশ্চিত করি।
৩. দ্বীনি খিদমত: কুরআন ও সুন্নাহর শিক্ষায় শিক্ষিত একটি প্রজন্ম গড়তে আপনি সরাসরি অংশীদার হচ্ছেন।
আপনার ছোট একটি পদক্ষেপ, একটি বিশাল পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে।
আপনি চাইলে এককালীন পুরো বছরের খরচ দিতে পারেন, অথবা মাসে মাসে নির্দিষ্ট অংকের টাকা দিয়ে এই মহৎ কাজে শরিক হতে পারেন।
আপনার আমানত, আমাদের দায়িত্ব। আসুন, পরকালের পাথেয় হিসেবে এক একটি শিশুকে কুরআনের হাফেজ ও আলেম হওয়ার পথে এগিয়ে দিই ও জারিয়ার ভাগী হই!
মোট সংগ্রহ
0 ৳
মোট খরচ
0 ৳
বর্তমান ব্যালেন্স
0 ৳
অনুদান তালিকা
কোনো অনুদান পাওয়া যায়নি।
খরচের বিবরণ
কোনো খরচের রেকর্ড নেই।